Pages Navigation Menu

Whatever is our mother tongue, second language must be Arabic.

اقسام الاسم باعتبار الجنس বা লিঙ্গভেদে ইসম এর প্রকারভেদ পর্ব-৩

اقسام الاسم باعتبار الجنس বা লিঙ্গভেদে ইসম এর প্রকারভেদ পর্ব-৩

اقسام الاسم باعتبار الجنس বা লিঙ্গভেদে اسم এর প্রকারবেদ : جنس শব্দের অর্থ  – লিঙ্গ।লিঙ্গভেদে তথা বিশেষ্য দু’ প্রকার। যথা- ১. مذكر তথা পুংলিঙ্গ। ২. مؤنث তথা স্ত্রীলিঙ্গ।

নিম্নে প্রকারদ্বয়ের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-
১. مذكر এর সংজ্ঞা : مذكر শব্দের অর্থ – পুরুষবাচক। পরিভাষায় বলা হয় – هو ما يشار اليه بكلمة هذا অর্থাৎ, هذا দ্বারা যে শব্দের দিকে ইঙ্গিত করা হয়, তাকে مذكر বলে। আর هذا শব্দটি সর্বদা পুরুষজাতীয় শব্দের দিকেই ইঙ্গিত করে।

অন্যভাবে বলা যায়, যে اسم দ্বারা পুংলিঙ্গবাচক প্রাণী বা বস্তু বোঝায়, তাকে مذكر তথা পুংলিঙ্গ বলে। যেমন – بكر، كتاب، أحمد ইত্যাদি।

مذكر এর প্রকার : مذكر তথা পুংলিঙ্গ সাধারণত দু’প্রকার। যথা –

ক. مذكر حقيقى (প্রকৃত পুংলিঙ্গ)। খ. مذكر غير حقيقى (অপ্রকৃত পুংলিঙ্গ)।

ক. مذكر حقيقى এর সংজ্ঞা : যে اسم দ্বারা পুংলিঙ্গবাচক প্রাণী বোঝায় এবং যার বিপরীতে স্ত্রীবাচক প্রাণী আছে, তাকে مذكر حقيقى বলে। যেমন- رجل (পুরুষ) এর বিপরীতে امراة (মহিলা) রয়েছে।

খ. مذكر غير حقيقى এর সংজ্ঞা : যে ইসম প্রকৃতপক্ষে পুংলিঙ্গবাচক নয়; কিন্তু পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং যার বিপরীতে কোনো স্ত্রীলিঙ্গ প্রাণী নেই, তাকে مذكر غير حقيقى  বলে। যেমন- قلم (কলম), صدر (বুক) ইত্যাদি।

২. مؤنث এর সংজ্ঞা : مؤنث শব্দের অর্থ- স্ত্রীবাচক। পরিভাষায় বলা হয়- هو يشار اليه بكلمة هذه অর্থাৎ, هذه দ্বারা যে শব্দের দিকে ইঙ্গিত করা হয়, তাকে مؤنث বলে। আর هذه শব্দটি সর্ব দা স্ত্রী জাতীয় শব্দের দিকেই ইঙ্গিত করে।

অন্যভাবে বলা যায়, مؤنث ঐ اسم কে বরে, যাতে স্ত্রীলিঙ্গের চিহ্ন বিদ্যমান খাকে; চাই চিহ্নটি শব্দগত প্রকাশ্য হোক বা অপ্রকাশ্য হোক। যেমন- بقرة (গাভী), عين (চোখ)।

مؤنث এর চিহ্ন : مؤنث তথা স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দের চিহ্ন মোট তিনটি। যথা-

১. تاء التانيث অর্থাৎ, اسم এর শেষে গোল  ة বিদ্যমান থাকা। যেমন- شجرة، عائشة  ইত্যাদি।

২. الف مقصورة অর্থাৎ, اسم এর শেষে الف مقصورة (হ্রস্ব উচ্চারিত আলিফ) থাকা। যেমন- حبلى، عقبى ইত্যাদি।

৩. الف ممدودة অর্থাৎ, اسم এর শেষে الف ممدودة (দীর্ঘ উচ্চারিত আলিফ) থাকা। যেমন- صحراء، حمراء

مؤنث এর প্রকার : مؤنث প্রথমত দু’প্রকার। যথা-

ক. مؤنث حقيقى (প্রকৃত স্ত্রীলিঙ্গ)। খ. مؤنث لفظى (শাব্দিক স্ত্রীলিঙ্গ)।

ক. مؤنث حقيقى এর সংজ্ঞা : যে স্ত্রীলিঙ্গবাচক বিশেষ্যের বিপরীতে কোনো পুরুষজাতীয় প্রাণী রয়েচে, তাকে مؤنث حقيقى বলে। যেমন- امراة (মহিলা) এর বিপরীতে رجل (পুরুষ) রয়েছে। ناقة (উষ্ট্রী) এর বিপরীতে جمل (উট) রয়েছে।

খ. مؤنث لفظى এর সংজ্ঞা: যে স্ত্রীলিঙ্গবাচক বিশেষ্যের বিপরীতে পুংলিঙ্গজাতীয় কোনো প্রানী নেই, তাকে مؤنث لفظى  বলে। যেমন- ظلمة (অন্ধকার), عين (ঝরনা)।

مؤنث لفظى  আবার দু’প্রকার। যথা- ১. مؤنث سماعى (শ্রুত স্ত্রীলিঙ্গ)। ২.  مؤنث قياسي  (বিধিভুক্ত স্ত্রীলিঙ্গ)।

১. مؤنث سماعى : যে اسم তথা বিশেষ্যে স্ত্রীলিঙ্গের কোনো চিহ্ন নেই; বরং আরবি ভাষাভাষী লোক থেকে শুনেই স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে গণ্য করা হয়, তাকে مؤنث سماعى বলে।যেমন- دار، يد، ارض ইত্যাদি।

২. مؤنث قياسي যে তথা বিশেষ্যের শেষে গোল তা (ة) থাকে, তাকে مؤنث قياسي বলে। যেমন- غرفة ، فرحة ইত্যাদি।

জ্ঞাতব্য : কোনো কোনো শব্দে গোপনীয় ة রয়েছে। যেমন- أرض، دار ; কেননা এদের تصغير যথাক্রমে اريضة ও دويرة আর تصغير কোনো اسم কে মূল অবস্থায় রূপান্তরিত করে। সুতরাং বোঝা গেল, ارض ও دار শব্দদ্বয়ে ة বিদ্যমান।

اسم বা বিশেষ্য এর পরিচয় ও তার আলামত সমূহ

اقسام الاسم বা اسم এর প্রকারভেদ পর্ব-১

اقسام الاسم باعتبار التعريف والتنكير পর্ব-২

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *